টঙ্গীতে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা চলছে

বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতিমূলক ধাপ হিসেবে টঙ্গীতে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা শুক্রবার (গতকাল) থেকে শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) চলছে জোড় ইজতেমার দ্বিতীয় দিন। ইতোমধ্যে ইজতেমা ময়দানের উত্তর প্রান্তে লাখো মুসল্লি সমবেত হয়েছেন। বয়ান মঞ্চ থেকে বিভিন্ন দেশের আলেমরা গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন।

আলেমরা বলেন, তাবলিগের কাজের আসল সৌন্দর্য বড় আয়োজন নয়; বরং ইখলাস, নিঃস্বার্থ নিয়ত, খেদমত এবং দাওয়াতি ত্যাগের মধ্যেই এর মাহাত্ম্য। জোড় ইজতেমা মূলত তিন চিল্লার সাথি এবং অন্তত এক চিল্লা সময় দিয়েছেন এমন ওলামায়ে কেরামের মিলনমেলা হলেও এটি নতুন–পুরোনো সবার জন্য আত্মগঠনের এক বিরল সুযোগ। গত এক বছরে দাওয়াতি কাজে তারা কী প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, তার বিবরণ মুরুব্বিদের কাছে উপস্থাপন করেন, আর মুরুব্বিগণ এসব শুনে ভবিষ্যৎ বছরের কাজের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এবারের জোড় ইজতেমায় ১৯টি দেশের মোট ৭০০ জন বিদেশি মেহমান টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করছেন। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে-পাকিস্তান, ভারত, কিরগিস্তান, কানাডা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ইয়েমেন, চীন, সৌদি আরব, তিউনিসিয়া, যুক্তরাজ্য, ইতালি, নাইজার, আফগানিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, জাপান, সিঙ্গাপুর ও অস্ট্রেলিয়া।

তাবলিগের কেন্দ্রীয় সদস্য হাবিবুল্লাহ রায়হান জানান, বিদেশি মেহমানদের জন্য ভাষাগত সহায়তা, তালীম, নিরাপত্তা ও মৌলিক সেবাসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে তারা নির্বিঘ্নে দাওয়াতি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন। পুরো টঙ্গী এলাকা আধ্যাত্মিক পরিবেশে মুখর; প্রতিটি খিত্তায় চলছে বয়ান এবং নগদ চিল্লার জামাত বের করার প্রস্তুতি।

আগামী ২ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা সমাপ্ত হবে।

[news_photocard_button text="ফটোকার্ড দেখুন "]