নিজের ভুলত্রুটি হয়ে থাকতে পারে-এ জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, তিনি আগে কখনো কোনো যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন না। সরকার গঠনের পরপরই তিনি তার পেশাগত জীবনে ফিরে যেতে চান এবং আগের মতো নিরিবিলি জীবনযাপন করবেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “একটি শেষ অনুরোধ-দয়া করে আমাকে ভুলে যাবেন।”
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি)’ চুক্তি সই উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, গত দেড় বছর ধরে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্ন ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে তিনি জবাবদিহিতার মধ্যে ছিলেন। এতে তার কাজের গতি বেড়েছে এবং যেখানে ভুল ছিল, সেগুলো সংশোধনের সুযোগ পেয়েছেন। সরকারে যোগ দেওয়ার সময় তার তেমন অভিজ্ঞতা না থাকলেও আন্তরিকভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছেন বলে জানান তিনি। আল্লাহর রহমতে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং কারও প্রতি বৈষম্য বা স্বজনপ্রীতি করেননি বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার কারণেই তিনি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পেরেছেন। প্রয়োজন হলে সব সময় আন্তরিকতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে পরামর্শ ও নির্দেশনা পেয়েছেন, যা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন।
শেখ বশিরউদ্দীন জানান, নতুন সরকার গঠিত হলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে তার কর্মজীবনে ফিরে যাবেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আশা করি আপনারা আমাকে মাফ করবেন এবং ভুলে যাবেন। আমি আবারও সেই নিরিবিলি জীবনে ফিরে যেতে চাই।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ছোট খামারি ও বড় উদ্যোক্তা-উভয় পক্ষকে অন্তর্ভুক্ত করে সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির পথে এগিয়েছে। এই নীতির লক্ষ্য ছিল কাউকে বাদ না দিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। ভবিষ্যতেও তার উত্তরসূরিরা একই ধারাবাহিকতায় কাজ করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





