রমজান মাসে নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), বিসেফ ফাউন্ডেশন, কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এবং শিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম (শিসউক)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শিসউক-এর নির্বাহী পরিচালক শাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ, বিকশিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আতাউর রহমান মিটন, বাপা’র সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির এবং বিসেফ ফাউন্ডেশনের সিইও রেজাউল করিম সিদ্দিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, দেশে প্রায় ১৮ কোটি মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার খাদ্য গ্রহণ করে, কিন্তু এই বিশাল বাজারের বড় অংশই বর্তমানে অনিরাপদ ও সিন্ডিকেটনির্ভর হয়ে পড়েছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বর্তমানে ৮.৫৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম চাপ সৃষ্টি করছে। তারা বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি একটি সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। এ সময় অবিলম্বে সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১০টি কীটনাশক নিষিদ্ধের দাবিও জানানো হয়।
সাবেক কৃষি সচিব ও বিসেফ ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি আনোয়ার ফারুক বলেন, বাজার সিন্ডিকেটের কারণে বিশেষ করে রমজানে ব্যবহৃত পণ্যের দাম পরিকল্পিতভাবে বাড়ানো হয়। তিনি শুধু ভ্রাম্যমাণ আদালত বা অভিযান নয়, বরং স্থায়ী বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কৃষকদের সরাসরি বাজারে যুক্ত করার ওপর জোর দেন।
ক্যাব সভাপতি ও সাবেক সচিব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান বলেন, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে নাগরিক তদারকি কমিটি গঠন জরুরি। পাশাপাশি বিএসটিআই-এর পাশাপাশি ‘নিরাপদ খাদ্য’ সিল চালুর দাবি জানান, যাতে ভোক্তারা পণ্য কেনার সময় নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।





